লেখাপড়া সমাধান, lekhapora somadhan, প্রিয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবক বন্ধুরা সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। এখানে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির সকল টিউটোরিয়াল ভিডিও ক্লাস ও চাকরি নিউজ ও চাকরি প্রশ্ন সমাধান আপলোড দেওয়া হয়।
পেজ ---৩৪ শখের মৃৎশিল্প গ্রামের নাম আনন্দপুর। মামার বাড়ি। কথায় আছে, মামার বাড়ি রসের হাঁড়ি। আসলেই তাই। পড়া নেই, বাধা নেই, যেখানে খুশি ঘুরে বেড়াও, যা খুশি খাও। এই তো মামার বাড়ি। গেল বছর পহেলা বৈশাখের ছুটিতে গিয়েছিলাম আনন্দপুর। সেখানে পহেলা বৈশাখে মেলা বসে। মামা বললেন, তোমাদের মেলা দেখতে নিয়ে যাব। আমরা ছিলাম চারজন--- আমি, মামাতো বোন বৃষ্টি, সোহানা আর ছোট ভাই তাজিন। মেলা বসে সকালে। আমরা একটু দেরি করেই গেলাম। মামা বেশ মজার মানুষ। কাঁধে ঝোলানো একটা ব্যাগ। তাতে থাকে ছবি আঁকার জিনিস, থাকে একটা বাঁশি। পড়েন ঢাকার চারুকলা ইনস্টিটিউটে। মেলার একটু কাছে পৌঁছতেই শুনতে পেলাম নাগরদোলার ক্যাঁচর ক্যাঁচর শব্দ। দেখলাম বাঁশের তৈরি কুলো, ডালা ঝুড়ি,চালুন, মাছ ধরার চাঁই, খালুই। আর ও কত কী! বসেছে বাঙি, তরমুজ, মুড়ি-মুড়কি, জিলাপি আর বাতাসার দোকান সারি সারি। আরেকটু এগোতেই দেখতে পেলাম কত রঙের, কত বর্ণের বিচিত্র সব মাটির হাঁড়ি। ফুল,পাতা, মাছের ছবি আঁকা সেসবে। রয়েছে মাটির ঘোড়া, হাত, ষাঁড় আর নানা...
পেজ----৯২ আমাদের জাতীয় পতাকা বাংলা রচনা আমদের জাতীয় পতাকা ভূমিকাঃ জাতীয় পতাকা একটি স্বাধীন জাতির সার্বভৌমত্বের প্রতীক। তাই প্রতিটি স্বাধীন দেশ ও জাতিরই একটি জাতীয় পতাকা আছে। জাতীয় পতাকা দেশের সব মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। যেকোনো স্বাধীন দেশ বা জাতি তার জাতীয় পতাকাকে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করে। জাতীয় পতাকার আকার ও আকৃতিঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় ঘন সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত থাকবে। জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০ঃ৬। পতাকার দৈর্ঘ্য যদি ৩০৫ সেন্টিমিটার (১০ ফুট) হয়, প্রস্থ ১৮৩ সেন্টিমিটার (৬ ফুট) হবে। লাল বৃত্তটির ব্যাসার্ধ হবে পতাকার দৈর্ঘ্যের পাঁচ ভাগের এক ভাগ। আমাদের জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেছেন শিল্পী কামরুল হাসান। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার প্রতীকঃ বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। এদেশের সকল ধর্মের মানুষের বসবাস রয়েছে। কিন্তু ধর্ম আলাদা হলেও...
পেজ------ ২৪ জলপরি ও কাঠুরে এক বনে বাস করত এক গরিব কাঠুরে। কাঠ বেচে তার সংসার চলত। একদিন কাঠুরে নদীর ধারে কাঠ কাটছিল। হঠাৎ কুড়ালটি পড়ে গেল নদীতে। নদীতে ছিল অনেক স্রোত ও কুমিরের ভয়। ভয়ে সে নদীতে নামতে পারল না। কুড়াল কেনার টাকাও ছিল না। তাই মনের দুঃখে সে কাঁদতে লাগল। দ্বিতীয় শ্রেণি বাংলা এভাবে কিছুক্ষণ কেটে গেল। হঠাৎ নদী থেকে উঠে এলো এক জলপরি। সে কাঠুরেকে বলল, তুমি কাঁদছ কেন? কাঠুরে বলল, আমার কুড়ালটি নদীতে পড়ে গেছে। জলপরি বলল, তুমি কেঁদো না, আমি দেখছি। জলপরি নদীতে ডুব দিল। একটু পরে উঠে এলো। হাতে একটা সোনার কুড়াল। বলল, এটা কি তোমার কুড়াল? কাঠুরিয়া ভালো করে দেখে বলল, না। এটা আমার না। দ্বিতীয় শ্রেণি বাংলা পেজ ---- ২৫ জলপরি আবার পানিতে ডুব দিল। নিয়ে এলো রুপার কুড়াল। বলল, এটা কি তোমার? কাঠুরিয়া দেখে বলল, এটাও আমার না। জলপরি আবার ডুব দিল। এবার লোহার কুড়াল নিয়ে এলো। কাঠুরেকে বলল, এটা কি তোমার? কাঠুরে হেসে বলল, হ্যাঁ। এটাই আমার কুড়াল। কাঠুরের সততা দেখে ...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন